অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : Oct 23, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

৮১ বছরে জাতিসংঘ: বিশ্বশান্তি ও মানবাধিকার রক্ষায় কার্যকর সংস্কারের তাগিদ

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ, ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও জলবায়ু সংকটের মধ্যে জাতিসংঘের ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হচ্ছে। বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠা, ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে সংস্থাটিকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার আহ্বান জানিয়েছেন লেখক নিকোলাস বিশ্বাস।


২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ দিবস। ২০২৬ সালে সংস্থাটির ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এমন এক সময়ে পালিত হচ্ছে, যখন আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নানা সংকটের মুখে। বিশ্বজুড়ে সংঘাত বেসামরিক মানুষের জীবনকে বিপন্ন করছে, ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা সম্মিলিত উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং মানবাধিকার রক্ষায় দ্বৈতনীতির অভিযোগ উঠছে। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনৈতিক বৈষম্য ও আর্থিক সংকট টেকসই উন্নয়নের অগ্রগতিকে কঠিন করে তুলছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যুদ্ধের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করা এবং আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্য নিয়ে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হওয়ার পর ৮১ বছর পেরিয়ে গেলেও এই লক্ষ্য এখনো সমান গুরুত্বপূর্ণ। তবে সংস্থাটির ঘোষিত আদর্শের সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির ব্যবধান তার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।

প্রতিনিধিত্ব ও কার্যকারিতার সংকট

বর্তমানে জাতিসংঘের সদস্যরাষ্ট্রের সংখ্যা ১৯৩। ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন পূর্ণ সদস্য না হলেও পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের মর্যাদা পেয়েছে। ১৯৪৫ সালে ৫১টি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করা সংস্থাটিতে বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর যোগ দেয়। সর্বশেষ সদস্যরাষ্ট্র দক্ষিণ সুদান, যা ২০১১ সালের ১৪ জুলাই সদস্যপদ লাভ করে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রতিটি সদস্যরাষ্ট্রের একটি করে ভোট থাকলেও বৈশ্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সব দেশের প্রভাব সমান নয়। বিশেষ করে নিরাপত্তা পরিষদের কাঠামোয় ক্ষমতার অসম বণ্টন স্পষ্ট। ফলে জাতিসংঘের প্রয়োজনীয়তার চেয়ে সংস্থাটিকে কীভাবে আরও কার্যকর, প্রতিনিধিত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক করা যায়, সেটিই বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জ

যুদ্ধ প্রতিরোধের লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হলেও ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের ভেটো ক্ষমতা প্রায়ই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে বাধা সৃষ্টি করে। জাতীয় কৌশলগত স্বার্থ যখন সম্মিলিত দায়িত্বের ওপর প্রাধান্য পায়, তখন আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা কমে যায়। এর সবচেয়ে বড় মূল্য দিতে হয় সাধারণ মানুষকে। সংঘাতে পরিবার হারায় ঘরবাড়ি, শিশুরা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয় এবং বিপুলসংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়।

শান্তি কেবল যুদ্ধ বন্ধ হওয়ার নাম নয়। নিরাপদে ঘরে ফেরা, ভয়মুক্ত জীবনযাপন এবং মর্যাদার সঙ্গে নতুন করে জীবন গড়ে তোলাও শান্তির অংশ। এ জন্য সংঘাত প্রতিরোধে আগাম সতর্কতা, কূটনৈতিক তৎপরতা ও মধ্যস্থতা জোরদার করা প্রয়োজন। পাশাপাশি নিরাপত্তা পরিষদে কম প্রতিনিধিত্ব পাওয়া অঞ্চলগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং ব্যাপক নৃশংসতার ঘটনায় ভেটো প্রয়োগে সংযম প্রতিষ্ঠা জরুরি। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোর রাজনৈতিক সদিচ্ছা গুরুত্বপূর্ণ।

বহুপাক্ষিক সহযোগিতায় আস্থা ফেরানো

জাতীয়তাবাদ, রাজনৈতিক মেরুকরণ এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আস্থার অবক্ষয় বৈশ্বিক সহযোগিতাকে দুর্বল করছে। কিছু সরকার আন্তর্জাতিক চুক্তিকে জাতীয় সার্বভৌমত্বের ওপর সীমাবদ্ধতা হিসেবে দেখে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো সব ক্ষেত্রে সমান নীতি অনুসরণ করে না—এমন অভিযোগও রয়েছে।

আস্থা পুনরুদ্ধারে ন্যায্যতা, স্বচ্ছতা ও দৃশ্যমান ফলাফল নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অন্যদের কাছে জবাবদিহি দাবি করা ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলোকেও নিজেদের কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহি করতে হবে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে এ বিতর্ক স্পষ্ট হয়েছে। ২০২৬ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মাইলেই জাতিসংঘকে ‘অকার্যকর সংস্থা’ এবং এর কর্মকর্তাদের ‘অহংকারী পরজীবী’ বলে আখ্যায়িত করেন বলে দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, সংস্থাটি সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে।

অন্যদিকে, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ নিরাপত্তা পরিষদে সব অঞ্চলের ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে সংস্কারের আহ্বান জানান এবং ভেটো ক্ষমতা বিলুপ্ত করার পক্ষে মত দেন বলে আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

মহামারি, জলবায়ু পরিবর্তন ও সাইবার হুমকির মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা অপরিহার্য। দায়িত্বশীল বহুপাক্ষিকতা জাতীয় স্বার্থকে উপেক্ষা করে না; বরং তা সুরক্ষায় সহায়তা করে। তাই আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জাতিসংঘের অন্যতম দায়িত্ব হওয়া উচিত।

সর্বজনীন মানবাধিকার নিশ্চিত করা

মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র মানুষের মর্যাদা, স্বাধীনতা ও সমতার অভিন্ন মানদণ্ড নির্ধারণ করেছে। কিন্তু বাস্তবে এর প্রয়োগ এখনো অসম। কোনো কোনো সরকার সমালোচনা এড়াতে সার্বভৌমত্বের যুক্তি তুলে ধরে। অন্যদিকে, নজরদারি, অনলাইন সেন্সরশিপ ও ডিজিটাল দমন-পীড়ন ব্যক্তিস্বাধীনতার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

রাজনৈতিক সুবিধা বিবেচনা না করে সর্বক্ষেত্রে মানবাধিকার রক্ষা করতে পারলেই জাতিসংঘের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে। বেসামরিক মানুষের সুরক্ষা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং আইনের দৃষ্টিতে সমতা রাজনৈতিক সমঝোতার হাতিয়ার হতে পারে না। গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের নিরপেক্ষ তদন্ত, জবাবদিহি এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

টেকসই উন্নয়নে বৈশ্বিক সংহতি

জাতিসংঘের ২০৩০ সালের এজেন্ডা ও ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা দারিদ্র্য, বৈষম্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবেশ সুরক্ষায় একটি অভিন্ন কাঠামো তৈরি করেছে। তবে অর্থনৈতিক অভিঘাত, ঋণসংকট, পর্যাপ্ত অর্থায়নের অভাব এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এই লক্ষ্য অর্জনের অগ্রগতি ব্যাহত হচ্ছে। পরিবেশগত সংকটে যেসব জনগোষ্ঠীর অবদান সবচেয়ে কম, অনেক ক্ষেত্রে তারাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হচ্ছে।

বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য সহজলভ্য জলবায়ু অর্থায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ন্যায্য অর্থনৈতিক ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামোর সংস্কার, স্বল্পসুদে উন্নয়ন অর্থায়ন এবং অসহনীয় ঋণের বোঝা কমানো প্রয়োজন। উন্নত দেশগুলোর জলবায়ু প্রতিশ্রুতির সঙ্গে বাস্তব আর্থিক সহায়তার সামঞ্জস্যও নিশ্চিত করতে হবে।

তবে উন্নয়নের জন্য শুধু বৈদেশিক সহায়তা যথেষ্ট নয়। জাতীয় নেতৃত্ব, সুশাসন ও জবাবদিহিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। জাতিসংঘের দায়িত্ব হলো কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তোলা এবং উন্নয়নের সুফল যেন ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছেও পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করা।

ঘোষণার চেয়ে বাস্তবায়ন জরুরি

জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের প্রতিপাদ্য—‘আস্থা পুনরুদ্ধার, পরিবর্তন মোকাবিলা: সবার জন্য কার্যকর জাতিসংঘ’—বর্তমান সংকটের গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে। মানুষের জীবনে দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারলেই সংস্থাটির প্রতি আস্থা ফিরবে। এ জন্য জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়, ফলাফলের জবাবদিহি এবং প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহার বাড়ানো প্রয়োজন।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা জনসেবা উন্নত করার সুযোগ তৈরি করলেও এর ব্যবহার মানবাধিকার ও স্বচ্ছতার নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। একই সঙ্গে সদস্যরাষ্ট্রগুলোর পাশাপাশি নাগরিক সমাজ, তরুণ প্রজন্ম, গবেষক ও সাংবাদিকদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর উচিত আন্তর্জাতিক বৈঠকে অংশগ্রহণের পাশাপাশি ন্যায্য বৈশ্বিক নিয়ম প্রতিষ্ঠা এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর স্বার্থ তুলে ধরতে সক্রিয় ভূমিকা রাখা।

মানবতার প্রতি নতুন অঙ্গীকার

জাতিসংঘ দিবস কেবল প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপনের উপলক্ষ নয়; বরং সংস্থাটির প্রতিশ্রুতি ও বাস্তব অর্জনের ব্যবধান পর্যালোচনারও সময়। জাতিসংঘ নিখুঁত প্রতিষ্ঠান নয়, তবে রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে আলোচনা ও সমঝোতার জন্য একটি অভিন্ন বৈশ্বিক মঞ্চের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। বহুপাক্ষিক সহযোগিতা পরিত্যাগ করলে বৈশ্বিক সংকট দূর হওয়ার পরিবর্তে সেগুলো মোকাবিলা আরও কঠিন হবে।

৮১ বছরে পদার্পণ করা জাতিসংঘের সামনে এখন প্রতিষ্ঠাকালীন আদর্শের প্রতি নতুন অঙ্গীকার, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, নির্ভরযোগ্য অর্থায়ন এবং সংকীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থের ঊর্ধ্বে মানবতাকে স্থান দেওয়ার চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সংস্থাটির সাফল্য শুধু গৃহীত প্রস্তাবের সংখ্যায় বিচার করা যাবে না। বরং যুদ্ধের দুর্ভোগ কমছে কি না, মানবাধিকার সুরক্ষিত হচ্ছে কি না, উন্নয়নশীল দেশগুলো ন্যায্য সুযোগ পাচ্ছে কি না এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পৃথিবী নিশ্চিত হচ্ছে কি না, তার ভিত্তিতেই সাফল্য মূল্যায়ন করতে হবে।

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালিহের বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে লেখক উল্লেখ করেন, ‘শান্তির পরিমাপ শুধু স্বাক্ষরিত চুক্তির মাধ্যমে নয়, বরং মানুষের জীবনে আসা পরিবর্তনের মাধ্যমেও করতে হবে।’

বিশ্বের প্রয়োজন এমন একটি জাতিসংঘ, যা কেবল মুষ্টিমেয় মানুষের স্বার্থে নয়, বরং সবার জন্য কাজ করবে এবং বাস্তব ফলাফল নিশ্চিত করবে।

লেখক পরিচিতি: নিকোলাস বিশ্বাস একজন ফ্রিল্যান্স গণমাধ্যমকর্মী এবং জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (UNFPA) মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত। যোগাযোগের ই-মেইল: gonomaddzam@gmail.com


মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যেভাবে রাজনীতিতে সাফল্যের শীর্ষে মির্জা ফখরুল

1

ইটনায় ইউএনওর আকস্মিক পরিদর্শন, হাজিরা খাতায় ৬ শিক্ষকের সই, উ

2

জলভিত্তিক পর্যটনে হাউজবোট মেলা

3

অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট হল ও মাইকেল উডফোর্ড

4

লটারিতে বুড়াবুড়ি ইউনিয়নে ৫ নারী এলসিএস কর্মী নিয়োগ

5

ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি শেষে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী

6

শোলাকিয়ায় সরকারের উন্নয়নকাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

7

ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে কমবে দারিদ্র্য, মূল্যস্ফীতির চাপ: বিশ

8

বৃহস্পতিবার থেকে কাজে ফিরতে পোশাকশ্রমিকদের আহ্বান শ্রমমন্ত্র

9

নির্ধারিত সময়ের আগেই কলেজ বন্ধ, নিয়মিত অনুপস্থিতির অভিযোগ অধ

10

হালান্ড-ওদেগার্ড ফিরতেই পূর্ণ শক্তির নরওয়ে, সেরা একাদশে আইভ

11

প্রথমবার রাজশাহী সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

12

এসইএসডিপি প্রকল্পে ৮ কোটি টাকা চাঁদা সংগ্রহের অভিযোগ

13

বিসিসির সঙ্গে চুক্তি বাতিল করল নির্বাচন কমিশন

14

এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ঘিরে এনএসইউ-এআইইউবিতে তারুণ্যের উচ্ছ্

15

হাসিনাকে বক্তব্যের সুযোগ, ভারতের প্রতি ক্ষোভ ঢাকার

16

ফুলবাড়ীতে ২৩টি অবৈধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস

17

ফাইনাল নয়, মালয়েশিয়ার ভাবনায় আপাতত বাংলাদেশ

18

খরচ কমাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

19

রূপপুরের প্রথম ইউনিটে ফিজিক্স টেস্ট সফল, বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্

20