
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের ফুলবাড়ী শাখার আহ্বায়ক সৈয়দ সাইফুল ইসলাম জুয়েল লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদ অধিবেশনের শুরুতে ফুলবাড়ী কয়লাখনি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যে তারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ২০০৬ সালের ২৬ আগস্ট ফুলবাড়ীতে কয়লাখনি বিরোধী আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে তরিকুল, সালেকিন ও আমিন নিহত হন। ওই ঘটনায় আরও বহু মানুষ আহত হন। পরে আন্দোলনের মুখে ৩০ আগস্ট তৎকালীন সরকারের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ছয় দফা ফুলবাড়ী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, ফুলবাড়ী কয়লাখনি প্রকল্পে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন করা হলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, কৃষি, পরিবেশ ও জনবসতিতে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রতিবেদনগুলো সরকারকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করার দাবি জানান তারা।
বক্তারা আরও বলেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থ উপেক্ষা করে বহুজাতিক কোম্পানির মুনাফার জন্য ফুলবাড়ীসহ উত্তরাঞ্চলকে ক্ষতির মুখে ঠেলে দেওয়া হলে ২০০৬ সালের মতো আরও কঠোর ও বৃহত্তর গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির ফুলবাড়ী শাখার নেতৃবৃন্দ, সদস্য এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।