গুরুত্বপূর্ণ এই বাজারটি এশিয়ান হাইওয়ের পাশে অবস্থিত। এ সড়ক দিয়ে হরিপুর, রানীশংকৈল ও পীরগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ দিনাজপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেন। গাছটির কাছেই রয়েছে উপদইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ফকিরগঞ্জ বিজিবি (বিওপি)। ফলে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক পথচারী ও কোমলমতি শিক্ষার্থী গাছটির পাশ দিয়ে চলাচল করে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে গাছটি মৃত অবস্থায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। ইতোমধ্যে এর বেশ কয়েকটি শুকনো ডাল ভেঙে মাটিতে পড়েছে। যেকোনো সময় বড় কোনো ডাল কিংবা পুরো গাছটি ভেঙে পড়ে পথচারী, শিক্ষার্থী বা ব্যবসায়ীদের ওপর আছড়ে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
সেনগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম প্রধান বলেন, “গাছটি দ্রুত কাটার ব্যবস্থা না করলে যেকোনো সময় বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত গাছটি অপসারণের দাবি জানাচ্ছি।”
স্থানীয় দোকানদার আফাজ আলী বলেন, “গাছটি মরে গেছে। এখনই এটি কাটা দরকার। দুর্ঘটনা ঘটার পর ব্যবস্থা নেওয়ার কোনো মানে হয় না।”
পল্লী পশু চিকিৎসক এনামুল হক বলেন, “গাছটি দ্রুত কাটার ব্যবস্থা না করলে পথচারী কিংবা শিক্ষার্থী যেকোনো সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়তে পারে।”
মায়েশা ভিডিওর স্বত্বাধিকারী ফরিদ হোসেন মাসুম বলেন, “যেভাবে গাছের ডাল ভেঙে পড়ছে, তাতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে বেশি সময় নেই। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।”
স্থানীয় বাসিন্দা আমিনুল হক বলেন, “বাজারে এলেই আতঙ্কের মধ্যে থাকি। কখন গাছ বা গাছের কোনো ডাল ভেঙে পড়ে, সেই ভয় থাকে।”
দোকানদার সুমন আলী বলেন, “নামাজ পড়তে যাওয়ার সময়ও আগে দেখতে হয় কোনো ডাল ভেঙে পড়েছে কি না। সব সময় একটা আতঙ্কের মধ্যে থাকি।”
পথচারী হায়দার আলী বলেন, “বাজারে এসে বাজার করার চেয়ে এখন ভয় হয় কখন গাছটি আমার ওপর ভেঙে পড়ে। জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) কাছে বিনীত অনুরোধ, দুর্ঘটনা ঘটার আগেই গাছটি কাটার ব্যবস্থা করুন।”
এলাকাবাসী জানান, জননিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত গাছটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। দুর্ঘটনা ঘটার অপেক্ষা না করে ঝুঁকিপূর্ণ মৃত গাছটি দ্রুত অপসারণে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
মন্তব্য করুন