এ সময় অফিসের বড়বাবু হিসেবে পরিচিত রেশমা খাতুনের কাছে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার উপস্থিতির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, কিছুক্ষণ আগেই স্যারের সঙ্গে তার কথা হয়েছে। তিনি রংপুর থেকে অফিসের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন এবং তারা তার আসার অপেক্ষায় রয়েছেন।
এদিকে অফিসের বাইরের দৃশ্য ধারণের সময় সাংবাদিকদের ছবি তোলায় আপত্তি জানান রেশমা খাতুন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বিভিন্ন মন্তব্য করেন।
পরে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মহসিনের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আগের দিন রংপুরে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর একটি কর্মসূচি ছিল এবং তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সোমবার তিনি ‘ট্রানজিট লিভে’ রয়েছেন বলেও জানান।
তবে প্রতিমন্ত্রী যখন সোমবার দিনাজপুর সফরে ছিলেন, তখন একজন উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তা কর্মস্থলে উপস্থিত না থেকে রংপুরে অবস্থান করছেন কেন—এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নিয়মিত কর্মস্থলে উপস্থিত না থেকে রংপুরের নিজ বাসা থেকেই দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। সময়মতো অফিসে উপস্থিত না থাকায় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ ব্যাহত হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে দাপ্তরিক কাজে অনিয়ম এবং অবৈধভাবে অর্থ নেওয়ার অভিযোগও স্থানীয়ভাবে উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগগুলোর বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মহসিনের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি ‘ট্রানজিট লিভে’ থাকার বিষয়টি উল্লেখ করেন। তবে নিয়মিত কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা এবং অর্থ নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তার কাছ থেকে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা এবং উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
মন্তব্য করুন